আপনার স্মার্টফোনে থাকা যেকোনো র ভিডিও, এজেন্টিক এআই এডিট করে দেবে দুর্দান্ত লেভেলে।
ভয়েস ক্লিন, নয়েস রিমুভ, কাট, ক্যাপশন, টাইপোগ্রাফি, মোশন গ্রাফিক্স, আইকন অ্যানিমেশন আর বি-রোল। সব এআই করবে, আপনি শুধু বলে দেবেন কেমন চান।
প্রি-অর্ডার চলছে, এখনই এনরোল করে রাখতে পারেন। কোর্স রিলিজ হবে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে। প্রি-অর্ডার করলে রিলিজের সাথে সাথে লেসনগুলো আপনার অ্যাকাউন্টে চলে আসবে।
আগে দেখুন, আমরা নিজেরা কী করছি (রিয়েল কেস স্টাডি)
কেস স্টাডি ১: এক রাতে ১৪টা ভিডিও
পার্কে ফোনে তোলা ১৪টা র ভিডিও। এআই দিয়ে প্রতিটায় মোশন গ্রাফিক্স, এআই দিয়ে বানানো ছবি আর বি-রোল বসিয়ে এডিট হয়েছে এক রাতে। পরদিন সকালের মধ্যে ১৪টাই ইউটিউবে পাবলিক।
দেখুন: এআই-এর ৭টা লেয়ার: আপনি কোথায়? · রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় এজেন্টিক এআই
কেস স্টাডি ২: একটা টকিং-হেড র ভিডিও থেকে প্রোমো
একটা সাধারণ কথা বলার ভিডিও। এআই দিয়ে টাইপোগ্রাফি, আইকন আর মোশন গ্রাফিক্সে সাজিয়ে প্রোমো, যেটা দিয়ে আমাদের প্রোগ্রামের অ্যাড চলছে।
দেখুন: এআই ব্যবহার করা আর এআই দিয়ে কাজ করানো এক না · আমার ৪টা ব্যবসায় এজেন্টিক এআই যা করছে
কেস স্টাডি ৩: ক্যামেরা ছাড়া, শুধু ভয়েস থেকে একদিনে ১০টা ভিডিও
শেহজীন পাবলিকেশন্সের ১০টা ইবুকের জন্য ১০টা প্রোমো ভিডিও, একদিনে। ক্যামেরার সামনে বসতে হয়নি, শুধু ভয়েস রেকর্ড পাঠানো হয়েছে। বাকি সব এআই করেছে, আর ভিডিওগুলো এখন ফেসবুকে অ্যাড হিসেবে চলছে।
কেস স্টাডি ৪: উড়ন্ত সুপারকারের সিনেমাটিক অ্যাড, পুরোটা এআই এজেন্টের হাতে
উড়ন্ত সুপারকার, পুলিশ-চেজ, মিউজিক, বাংলা ভয়েস আর মোশন গ্রাফিক্স মিলিয়ে ৪৩ সেকেন্ডের সিনেমাটিক অ্যাড। কোনো ক্যামেরা, স্টুডিও বা এডিটর টিম লাগেনি; শটের প্ল্যান থেকে ফাইনাল এডিট পর্যন্ত সব করেছে এআই এজেন্ট। এই মাস্টারক্লাসের প্রোমো ভিডিও এটাই।
দেখুন: স্পিডই এখন নতুন কারেন্সি
এই মাস্টারক্লাসে ঠিক এই প্রসেসটাই শেখাব, ধাপে ধাপে।
এডিটিং নিয়ে আপনার সমস্যাগুলো
একটা ৩০ সেকেন্ডের রিল এডিট করতে টাইমলাইনে বসে থাকতে থাকতে দিন শেষ।
ভিডিও তো বানালেন, কিন্তু এডিট ছাড়া দেখতে সাধারণ লাগে। স্ক্রল করে চলে যায় সবাই।
ঘরের ফ্যান, রাস্তার শব্দ, ইকো। ভয়েস ক্লিন না হলে ভিডিও আর কেউ শোনে না।
প্রফেশনাল এডিটর দিয়ে করালে খরচ অনেক, আর প্রতিবার অপেক্ষা।
বাংলায় টেক্সট অ্যানিমেশন দিলেই যুক্তাক্ষর ভেঙে যায়।
সুন্দর রিলগুলোতে বক্তার মাথার পেছন থেকে লেখা আর আইকন বের হয়। কীভাবে হয়, বুঝতে পারেন না।
সমাধান: এডিটটা এআই-কে দিয়ে করিয়ে নিন
এআই-কে কাজটা বুঝিয়ে দেবেন, আর সে আপনার র ভিডিও থেকে ভয়েস ক্লিন করবে, নয়েস রিমুভ করবে, কাট আর পাঞ্চ-ইন জুম দেবে, বাংলা ক্যাপশন বসাবে, তারপর টাইপোগ্রাফি, থ্রিডি আইকন, গ্রিন-স্ক্রিন মোশন গ্রাফিক্স আর বি-রোল দিয়ে পুরো ভিডিও রেডি করে দেবে। আপনি শুধু রিভিউ করবেন।
শুরুর তিনটা লেসনেই পুরো প্রসেসটা হাতে-কলমে দেখে ফেলবেন। তারপর ধাপে ধাপে শিখবেন ভেতরের প্রতিটা অংশ: টাইপোগ্রাফি, মোশন গ্রাফিক্স আর বি-রোল।
তিন ধরনের ভিডিও, তিনটাই এআই দিয়ে এডিট
স্মার্টফোন বা ক্যামেরার র ভিডিও: সাধারণ কথা বলার ভিডিওকে প্রিমিয়াম রিলে রূপান্তর।
শুধু আপনার ভয়েস: ক্যামেরার সামনে না বসেও ভিডিও।
কিছুই না তুলে: শুধু টাইপোগ্রাফি অ্যানিমেশন দিয়ে মোশন রিল আর মোশন পোস্টার।
কোর্সে যা যা শিখবেন (৫টি মডিউল, ১৫টি লেসন)
মডিউল ১: ঝটপট শুরু, এআই দিয়ে পুরো ভিডিও এডিট
র ভিডিও থেকে পোস্ট-রেডি রিল · মাথার পেছন থেকে বের হওয়া গ্রাফিক্স · ভয়েস ক্লিন, নয়েস রিমুভ, মিউজিক আর রেন্ডার
মডিউল ২: ফাউন্ডেশন
তিন ধরনের ভিডিও · ব্র্যান্ড গাইডলাইন আর নিজের অ্যাসেট লাইব্রেরি · একটা ভিডিওর অ্যানাটমি, আর Remotion, FFmpeg ও CapCut-এর এআই এডিটিং-এর পরিচয়
মডিউল ৩: টাইপোগ্রাফি দিয়ে ভিডিও এডিটিং
বাংলা কাইনেটিক টাইপোগ্রাফি · যে ক্যাপশন মানুষ সত্যিই পড়ে · শুধু টাইপোগ্রাফি দিয়ে মোশন রিল ও মোশন পোস্টার
মডিউল ৪: আইকন অ্যানিমেশন ও মোশন গ্রাফিক্স
এআই দিয়ে নিজের ব্র্যান্ডের থ্রিডি আইকন সেট · গ্রিন-স্ক্রিন মোশন এলিমেন্ট আর মাথার পেছনের লেয়ার · প্রিমিয়াম মোশনের ভাষা
মডিউল ৫: বি-রোল দিয়ে ভিডিও এডিটিং
এআই দিয়ে বি-রোল ছবি আর ক্লিপ · সেকেন্ড ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল আর কাটের রিদম · ফাইনাল প্রজেক্ট: প্রতিদিন ভিডিও বানানোর সিস্টেম
কারা করবেন
কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর ইউটিউবার, যাঁরা প্রতিদিন ভিডিও দিতে চান।
বিজনেস ওনার আর উদ্যোক্তা, যাঁরা নিজের পেজের ভিডিও নিজেই বানাতে চান।
ফ্রিল্যান্সার আর ভিডিও এডিটর, যাঁরা কম সময়ে বেশি কাজ ডেলিভার করতে চান।
টিচার, ট্রেইনার আর কর্পোরেট প্রফেশনাল, যাঁদের নিয়মিত ভিডিও লাগে।
যা যা লাগবে
একটা কম্পিউটার (ম্যাক বা উইন্ডোজ) আর ইন্টারনেট।
Claude-এর পেইড সাবস্ক্রিপশন (Claude Code চালানোর জন্য প্রো বা ম্যাক্স প্ল্যান)।
একটা এআই ইমেজ জেনারেটরের সাবস্ক্রিপশন।
ভিডিও তোলার জন্য স্মার্টফোনই যথেষ্ট। আগে ভিডিও এডিটিং জানা লাগবে না।
ইন্সট্রাক্টর: সাব্বির আহমেদ, ফাউন্ডার, লার্নিং বাংলাদেশ।




